দিন বদলের হাতিয়ার হিসেবে বিশ্বব্যপী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি তার অবস্থান নিশ্চিত করেছে অনেক আগেই । দেরিতে হলেও
বর্তমান সরকার ২০২১ সালে মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কার্যক্রম শুরু করেছে এবং "ডিজিটাল বাংলাদেশ প্ল্যান অব
কানেকটিং পিপল" ধারণাপত্র প্রকাশ করেছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আরও নানান পদক্ষেপের কথা বলা হচ্ছে।
সরকারের এসব উদ্যোগ নিঃসন্দেহে উৎসাহ ব্যঞ্জক। তবে জনগণের বাস্তব অবস্থা বিবেচনা করে এসব পরিকল্পনা কতটা প্রাসঙ্গিক
তা নিয়েও একটু ভাবা প্রয়োজন। দেশ তথ্য প্রযুক্তিতে অগ্রসর হোক সঠিক সুচিন্তিত পদক্ষেপের মাধ্যমে। এক্ষেত্রে কিছু বিষয় বিবেচনা করা যেতে পারে ।
প্রথমতঃ বেসরকারী বেশ কিছু স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসায় যথেষ্ট সংখ্যক কম্পিউটার,
কম্পিউটার শিক্ষক ও বিনামূল্যে উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া যেতে পারে। বেসরকারী বেশকিছু স্কুল, কলেজ,
বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসা তা নিজের খরচে করতে পারে,তাদের সে সামর্থ আছে।
দ্বিতীয়তঃ স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসার আয়, ব্যয়, সম্পদের হিসাবপত্র এবং
সকল কর্মকান্ড ব্যবহারিক সফটওয়্যার দ্বারা পরিচালিত হওয়া উচিত। যাতে
হিসাবপত্র এবং সকল কর্মকান্ডের ধারাবাহিকতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে।
সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রয়াসকে সহযোগিতা করতে সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান হিসেবে দায়বদ্ধ বলে আমরা বিশ্বাস করি। এই ধারনার
প্রেক্ষিতে মার্স সফটওয়্যার ইন্টারন্যাশনাল লিঃ ৫টি মডিউল বিশিষ্ট DigiSCUM ব্যবহারিক সফটওয়্যার উদ্ভাবন করেছে যা
বাংলাদেশের সকল স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় পরিচালনা করলে ঐ প্রতিষ্ঠান ডিজিটালে রুপান্তরিত হবে এবং
নিম্নবর্ণিত সুযোগ সুবিধা ও অবস্থা পরিলক্ষিত হবেঃ
- DigiSCUM ব্যবহার ও প্রয়োগের মাধ্যমে যাবতীয় তথ্য-উপাত্ত ও কাজকর্ম কম্পিউটারের প্রকৃত ব্যবহার দ্বারা রক্ষণাবেক্ষন ও পরিচালিত হতে পারবে ।
- DigiSCUM পরিচালনার জন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে একজন কম্পিউটার অপারেটরের প্রয়োজন হবে ফলে সারা বাংলাদেশে কয়েক হাজার কম্পিউটার প্রশিক্ষিত জনবলের কর্মসংস্থান সুযোগ সৃষ্টি হবে ।
- DigiSCUM সরকারের ন্যাশনাল সার্ভিস পাইলট প্রকল্প এর উদ্দেশ্যকে সফল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে ।
- DigiSCUM যে সকল স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় ইতিমধ্যেই কম্পউটার ল্যাব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সেগুলির পূর্ণ সদ্ব্যবহার সম্ভব হবে ।
- DigiSCUM প্রতিষ্ঠানের দৈনন্দিন কাজকর্ম কিভাবে অত্যন্ত সহজ, সুন্দর ও যথাযথভাবে সম্পন্ন ও রক্ষণাবেক্ষন করা যায় তা শিক্ষার্থীকে
দেখানো সম্ভব হবে । রক্ষিত তথ্য উপাত্ত বর্তমানে এবং ভবিষ্যতে কি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে তাও শিক্ষার্থীকে প্রত্যক্ষ করানো যাবে ।